🛍️▪️▪️GMH Online Shopping-এ স্বাগতম▪️▪️আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি এক প্ল্যাটফর্মে সব ধরনের কেনাকাটার দারুণ সুবিধা▪️▪️আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আপনার পছন্দের পণ্যগুলো দেখে নিতে পারেন▪️▪️যেমন দেখেন,তেমনই পাবেন ▪️▪️পণ্য চেক করে টাকা দিতে পারবেন ▪️▪️সহজ রিটার্ন,ঝামেলা ছাড়া ▪️▪️ সেরা দামে সেরা মান ▪️▪️বাজেট ফ্রেন্ডলি,প্রিমিয়াম শপিং এখন আপনার হাতের মুঠোয়▪️▪️নিরাপদ এবং দ্রুত কেনাকাটার জন্য আজই অর্ডার করুন▪️▪️অর্ডার বা যেকোনো তথ্যের জন্য WhatsApp অথবা কল করুন - 01919265274▪️▪️ধন্যবাদ▪️▪️🛍️

কুমড়ো বড়ি

450 TK  500

Select Product:

Select Size:

SKU : HRH-P0448-PGS

- +
Outside Dhaka 130 Taka
Inside Dhaka 70 Taka
নতুন কাস্টমার এর জন্য প্রথম ৫ টি প্রডাক্ট অগ্রীম কুরিয়ার খরচ দিয়া নিতে হবে। ৫ টি প্রডাক্ট এর পর থেকে আর অগ্রীম কুরিয়ার খরচ দিতে হবেনা।

কুমড়ো বড়ি হলো কুমড়ো এবং ডাল দিয়ে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার, যা বিভিন্ন নিরামিষ ও মাছের তরকারিতে ব্যবহার করা হয়। এটি ভাজা বা রান্না উভয়ভাবেই খাওয়া যায় এবং খাবারে বাড়তি স্বাদ যোগ করে। শীতকালে গ্রাম অঞ্চলে এই বড়ি তৈরির ধুম পড়ে যায়।


🍚কুমড়োর বড়ি – ঘরের স্বাদে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য‼


কুমড়ো বড়ি কীভাবে তৈরি হয়:

আমাদের কুমড়া বড়ি তৈরি হয় সম্পূর্ণ হাতে, ঘরোয়া পদ্ধতিতে।

দেশি চালকুমড়া ও মাসকালায় ডাল পেস্ট করে বড়ি দেওয়া  হয়, তারপর রোদে শুকিয়ে প্রস্তুত হয় এই স্বাস্থ্যকর খাবার।

কোনো কেমিক্যাল, রঙ বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি।


✅ আমাদের কুমড়া বড়ির বৈশিষ্ট্য:

👉হাতে তৈরি- ঘরোয়া রেসিপি

👉100% প্রাকৃতিক ও কেমিক্যালমুক্ত

👉সূর্যের আলোয় শুকানো – সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ 

👉রান্নায় ঝোল বা ভাজি বা ভর্তায় ব্যবহার করা যায়

👉রান্নায় সম্পূর্ণ গলে যাবে , কোন বাজে স্মেল আসবে না 


কুমড়ো বড়ি কিভাবে রান্না করবেন⁉

আমাদের কুমড়াবড়ি রান্নার পদ্ধতি: ডুবন্ত তেলে আমাদের কুমড়াবড়ি ভেজে নিবেন


মসলা কসানোর সময় ভাজা বড়িগুলো দিয়ে মসলা কসিয়ে নিবেন।তারপর রান্নায় আপনার প্রয়োজন মতো পানি দিয়ে তরকারি নাড়াচারা করবেন।এরপর কিছুক্ষণ পর রেডি হয়ে যাবে আমাদের মজাদার সুস্বাদু কুমড়াবড়ি রান্না।


এটা কতদিন ভালো থাকে: সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে ৬ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে👌


কুমড়ো বড়ি সম্পর্কে কিছু তথ্য:


উপাদান: কুমড়ো, ডাল (যেমন মাসকলাই) এবং অন্যান্য মসলা দিয়ে তৈরি হয়।


ব্যবহার:

বিভিন্ন নিরামিষ তরকারিতে (যেমন ফুলকপি, পালং শাক)।

মাছের সঙ্গে রান্না করে।

শুধু ভেজেও খাওয়া যায়।


প্রস্তুত প্রণালী: এটি হাতে তৈরি করা একটি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি, যা সাধারণত শীতকালে করা হয়।


বৈশিষ্ট্য:

খাবারের স্বাদ বাড়ায়।

সহজে ভেঙে যায় বলে পলি ব্যাগ বা বাবল র‍্যাপ করে পাঠানো হয়।



বিঃ দ্রঃ --ডেলিভারি ম্যানকে টাকা দেওয়ার আগে পণ্য চেক করে নিবেন। প্রোডাক্ট আনবক্সিং করার সময় মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে রাখবেন। টাকা দেওয়ার পরে কোনো অভিযোগ গ্রহণ করা হবেনা। 

0 Items
৳ 0